পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, ঢাকাসহ সারাদেশে লুট হওয়া বিভিন্ন অস্ত্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৮১৮টি। এর মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৩ হাজার ৯৩৩টি অস্ত্র। তবে রাইফেল, এসএমজি, এলএমজি ও পিস্তলসহ এখনও উদ্ধার করা যায়নি ১ হাজার ৮৮৫টি অস্ত্র।
এছাড়া প্রায় ৩ লাখ লুট হওয়া গোলাবারুদ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
যত অস্ত্র এখনো উদ্ধার করা যায়নি-
লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে চায়না ফাইফেল উদ্ধার ৮৩৯টি, উদ্ধার হয়নি ২৯৬টি। বাংলাদেশি রাইফেল উদ্ধার ৯টি, উদ্ধার হয়নি ১টি। এসএমজি উদ্ধার ১৯১টি, উদ্ধার হয়নি ৬০টি। এলএমজি উদ্ধার ২১টি, উদ্ধার হয়নি ১১টি। পিস্তল উদ্ধার ৭৩১টি, উদ্ধার হয়নি ৮২৫টি।
৯x১৯ মি.মি. এসএমজি/এসএমটি উদ্ধার ৩২টি, উদ্ধার হয়নি ১টি। শটগান উদ্ধার ১৬২৪টি, উদ্ধার হয়নি ৬৭টি। গ্যাস গান ৪৭৬টি উদ্ধার, উদ্ধার হয়নি ১১৭টি। টিয়ার গ্যাস লঞ্চার (সিক্স শট) উদ্ধার ৯টি, উদ্ধার হয়নি ৫টি এবং সিগন্যাল পিস্তল উদ্ধার ১টি, উদ্ধার হয়নি ২টি।
যত গোলাবারুদ এখনো উদ্ধার করা যায়নি-
বিভিন্ন বোরের গুলি উদ্ধার হয়েছে ৩ লাখ ১২ হাজার ৮৫৭টি, উদ্ধার করা যায়নি ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪০৫টি। টিয়ারগ্যাসের শেল উদ্ধার ২৩ হাজার ১৯৪টি, উদ্ধার করা যায়নি ৮ হাজার ৮১১টি। টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার ৭০৪টি, উদ্ধার করা যায়নি ৭৫১টি। সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার ২ হাজার ১২৮টি, উদ্ধার সম্ভব হয়নি ২ হাজার ৫৬৪টি।
কালার স্মোক গ্রেনেড উদ্ধার ২১৩টি, উদ্ধার করা যায়নি ৭৮টি। মাল্টিপল ব্যাং স্টান গ্রেনেড উদ্ধার ১৮টি, উদ্ধার করা যায়নি ৩৭টি।
ফ্ল্যাশ ব্যাং গ্রেনেড উদ্ধার ৫৩৩টি, উদ্ধার করা যায়নি ৩৬০টি। গ্যান্ড হেল্ড টিয়ার গ্যাস স্প্রে (ক্যানিস্টার) উদ্ধার ৯৪টি, উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ৮৩টি।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলমান এ যৌথ অভিযানে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কোস্টগার্ড এবং র্যাব।
]]>শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণফোরামের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথাগুলো বলেন। এরপর তিনি ন্যাপ ভাসানী ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেন।
‘শেখ হাসিনার পলায়নের পরে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘তারা (বাংলাদেশের মানুষ) একটা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণে তার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে চলতে হবে এবং সেটাকে ধারণ করতে হবে। তাদের প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করব। এর জন্য জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।’
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণফোরামের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথাগুলো বলেন। এরপর তিনি ন্যাপ ভাসানী ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেন।
]]>গণ-অভ্যুত্থানে নিহত রিকশাচালক সাগরের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পর বিএনপির নেতা রিজভী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রামপুরায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য ইঙ্গিতপূর্ণ ও উসকানিমূলক বলে মন্তব্য করে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। রাজনাথ সিংয়ের রাশিয়া, ইউক্রেন, ইসরায়েল ও হামাসের সঙ্গে বাংলাদেশের নাম বলাটা ইঙ্গিতপূর্ণ ও উসকানিমূলক।
গণ-অভ্যুত্থানে নিহত রিকশাচালক সাগরের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পর বিএনপির নেতা রিজভী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রামপুরায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
]]>শিল্প মালিক ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, টানা কয়েক দিন শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় অশান্ত হয়ে পড়ে গাজীপুর শিল্পাঞ্চল। পরে বিজিএমইএ-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে বৃহস্পতিবার কারখানা খোলা রাখেন মালিকরা।
গাজীপুর ও সাভার শিল্পাঞ্চলের বেশির ভাগ তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এসব এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের আজ কাজে যোগ দিতে দেখা যায়।
শিল্প মালিক ও শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, টানা কয়েক দিন শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় অশান্ত হয়ে পড়ে গাজীপুর শিল্পাঞ্চল। পরে বিজিএমইএ-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে বৃহস্পতিবার কারখানা খোলা রাখেন মালিকরা।
]]>মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রনায়ক আসলে কি পরিণত হয় এবং জনগণই যে আসল মালিকানার এবং ক্ষমতার মালিক সেই বিষয়টিকে একটি নিদর্শন হিসেবে পুরা পৃথিবীর বুকে রাখার জন্যই আমরা এই গণভবনটিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘরে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এটি আজকে আমাদের প্রাথমিক ভিজিট ছিল। এখানে যারা দায়িত্বরত আছেন গণপূর্ত এবং স্থাপত্য বিভাগে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের থেকে আমরা প্রাথমিক পরামর্শ নিয়েছি এবং
]]>